দৈনিক তালাশ ডটকম : বন্দর প্রতিনিধিঃ পুলিশের উপর সন্ত্রাসী হামলা চালিয়ে ২ আসামী ছিনিয়ে নেওয়ার ঘটনায় ৪ হামলাকারিকে গ্রেপ্তার করেছে বন্দর থানা পুলিশ। এ ঘটনায় কন্সেটেবল দিদার কং-৮৪৬ ও অপর কন্সেটেবল আল আমিন কং-১১৫২ মারাত্মক ভাবে রক্তাক্ত জখম হয়। স্থানীয়রা আহত দুই পুলিশ কন্সেটেবলকে উদ্ধার করে বন্দর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রেরণ করেছে। রোববার (৪ জুন) রাতে নারায়নগঞ্জের বন্দর রেললাইন এলাকায় ওই সন্ত্রাসী হামলার ঘটনাটি ঘটে।
সন্ত্রাসী হামলার ঘটনার ওই রাতে বন্দর থানা পুলিশ থানার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে মামলার ৩নং এজাহারভূক্ত আসামী শহীদ (২৮), ৪নং আসামী রায়হান (২৬), ৫নং আসামী রাতুল (১৯) ও সনিগ্ধ মনিরকে (৩৮) গ্রেফতার করেছে।
এ ব্যাপারে বন্দর ফাঁড়ি এএসআই দিলীপ কুমার দাস বাদী হয়ে পুলিশের কাজে বাধা প্রদানের অভিযোগ এনে গ্রেপ্তারকৃত ৪ আসামীসহ ১৩ জনের নাম উল্লেখ্য করে ও ১০/১২ জনকে অজ্ঞাত আসামী করে এ মামলা দায়ের করেন।
পুলিশ গ্রেপ্তারকৃত হামলাকারিদের সোমবার (৫ জুন) দুপুরে আদালতে প্রেরণ করেছে।
জানা গেছে, গত রোববার রাতে বন্দর ফাঁড়ী পুলিশ এএসআই দিলীপ কুমার দাসসহ সঙ্গীয় র্ফোস ওয়ারেন্ট তামিল ও মাদক উদ্ধারের ডিউটি করা কালে বন্দর রেললাইন এলাকা থেকে ২ জন লোক সন্দিগ্ধ ভাবে ঘুরাফেরা করতে দেখে সন্দেহ হওয়ায় তাদের নাম পরিচয় জানতে চায়। ওই উল্লেখিত ২ জন তাদের নাম পরিচয় জানাতে অনিহা প্রকাশ করে। জিজ্ঞাসাবাদের এক পর্যায়ে হাজীপুর এলাকার মহিউদ্দিন গুইট্রা ছেলে ইমন (২৪), একই এলাকার মহিউদ্দিন সরদার ছেলে আল আমিন চিৎকার চেচামেচি করলে ওই সময় তাদের সহযোগি হাফেজীবাগ এলাকার মজিব ওরফে মইজ্জা মিয়ার ছেলে শহীদ, একই এলাকার রনি মিয়ার ছেলে রায়হান, মুন্সিগঞ্জ সদর থানার দিগীরপাড় এলাকার বাবু মিয়ার ছেলে রাতুল, বন্দর ঝাউতলা এলাকার মজিবুর মিয়ার ছেলে তুষার, ফরাজিকান্দা এলাকার শরিফ ওরফে বাক্কা, হাজীপুর এলাকার সোহেল, হাফেজিবাগ এলাকার মনু মিয়ার ছেলে সাদিক, হাজীপুর এলাকার মাহাবুব, একই এলাকার রানা মিয়ার ছেলে ইমরান, চিতাশাল এলাকার রকি ও হাফেজীবাগ এলাকার মৃত মালেক মিয়ার ছেলে রনি সহ অজ্ঞাত ১০/১২ জন সন্ত্রাস বেআইনী জনতাবদ্ধে অাবদ্ধ হয়ে ১নং আসামী ইমনের হুকুমে বন্দর ফাঁড়ি কন্সেটেবল দিদার ও অপর কন্সেটেবল আল আমিনকে হত্যার উদ্দেশ্যে বেদম ভাবে পিটিয়ে উল্লেখিত ২ আসামীকে ছিনিয়ে নেওয়াসহ একটি ভিভো মোবাইল সেট ছিনিয়ে নেয়।