দৌলতপুরে কিশোর গ্যাংয়ের নেপথ্যে সৈকত মোল্লা ও মহিন মোল্লা অত্যাচারে অতিষ্ঠ এলাকাবাসী 

দৈনিক তালাশ ডটকম :বর্তমান সময়ে বিভিন্ন পাড়া মহল্লায় আতঙ্কের নাম কিশোর গ্যাং। আর সেই আতঙ্ক বর্তমানে পুরদস্তর বিরাজ করছে দৌলতপুর উপজেলার জয়রামপুর এলাকাজুরে।এলাকার কিশোর গ্যাংয়ের নেপথ্যে সৈকত মোল্লা ও মহিন মোল্লা, অত্যাচারে অতিষ্ঠ এলাকাবাসী। ছিনতাই ও মাদক অস্ত্র মামলার চার্জশীটভুক্ত আসামী মাদকাসক্ত সৈকত মোল্লা প্রধানের নেতৃত্বে গড়ে ওঠেছে কিশোর গ্যাং।যেন দেখার কেউ নেই, থানা পুলিশসহ প্রশাসন রয়েছে নিরব ভুমিকায়। স্থানীয় সুত্রে জানা যায়, কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার জয়রামপুর মোল্লা পাড়ার স্বপন মোল্লা ছেলে সৈকত মোল্লা ও মৃত নিপুল মোল্লার ছেলে মহিন মাদক,নারী কেলেঙ্কারি সহ বিভিন্ন অপরাধমুলক কর্মকান্ডের সাথে জড়িয়ে কিশোর গ্যাং তৈরি করে এলাকায় প্রভাব বিস্তার করে নানাবিধ অপকর্ম করে চলেছে।

উল্লেক্ষ্য সম্প্রতি সৈকত মোল্লার প্রধান সহযোগী মনোজ মোল্লা বিদেশী অস্ত্র ও গুলি সহ গ্রেফতার হয় এবং কয়েক আগে এসএসসি পরিক্ষার্থী পিস্তল নিয়ে তাড়া করেন হত্যার উদ্দেশ্য সৈকত মোল্লা।

মাদকাসক্ত সৈকত মোল্লা শুধু ছিনতাই নয় মাদক, অস্ত্র, চাঁদাবাজি করে আসছেন দীর্ঘদিন ধরে। স্থানীয় বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও যুবলীগ নেতা তুহিন আহমেদ কে হত্যার উদ্দেশ্যে গতকাল ৩ই জুন সন্ধ্যার সময় কিশোর গ্যাং নেতা সৈকত মোল্লা ও মহিন মোল্লা তুহিন আহমেদ কে অক্রমন করতে যায় সে সময় বাড়ীতে না থাকায় তাকে উদ্দেশ্য করে বাড়ীর সামনে মেরে ফেলার হুমকি ও অকথ্য ভাষায় গালাগালি করে। এছাড়াও তাদের যথেষ্ট পরিচিতি রয়েছে মাদকসেবী ও
মাদক বিক্রেতা হিসেবে ।

কুষ্টিয়া জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে সৈকত মোল্লার বিরুদ্ধে রয়েছে মাদক বিক্রেতারও অভিযোগ।

সম্প্রতি মারামারি চাঁদাবাজির অভিযোগে সৈকত মোল্লা সহ কিশোর গ্যাংয়ের আরও কয়েকজনের বিরুদ্ধে দৌলতপুর থানায় মামলা দায়ের হয়। বিভিন্ন অপরাধের
অভিযোগ ও মামলা থাকার পরও এলাকায় আদিপত্য বিস্তার করে দাঙ্গা হাঙ্গামা চালিয়ে যাচ্ছে হরহামেশাই। সৈকত মোল্লার অন্যতম শক্তি মোঃ রিগ্যান মোল্লা কিন্তু দেখার কেউ নেই, বলার কেউ নেই।আর অন্যদিকে পুলিশতো রয়েছে
নিরব দর্শকের ভুমিকায়। চিহ্নিত সন্ত্রাসী ও মাদক বিক্রেতা সৈকত মোল্লা ও মুহিন মোল্লা এক মূর্তিমান আতঙ্ক হয়ে জয়রামপুর ও আশপাশ এলাকাজুরে যেভাবে আদিপত্য বিস্তার করছে তাতে ঐ এলাকায় যেকোন সময় রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের আশংকা করছে এলাকাবাসী।

ভালো লাগলে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *