দৈনিক তালাশ ডটকমঃ বিশেষ প্রতিনিধি: কালিহাতীতে ১৮৪ পূজামণ্ডপে সরকারি চাল বিতরণে হয়রানির অভিযোগ, প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) মোঃ তরিকুল ইসলামের পদত্যাগ দাবি।
উল্লেখ্য, শারদীয় দুর্গাপূজা ২০২৬ উপলক্ষে টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলায় ১৮৪টি পূজামণ্ডপের অনুকূলে বরাদ্দকৃত সরকারি অনুদানের চাল বিতরণে চরম ভোগান্তি ও হয়রানির অভিযোগ উঠেছে। কালিহাতীর প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) মোঃ তরিকুল ইসলাম কালিহাতীতে শারদীয় দুর্গাপূজা ২০২৬ উপলক্ষে প্রস্তুতিমূলক সভায় জিআর চাল পেতে প্রত্যেক পূজার মন্ডপে সিসি ক্যামেরা স্থাপন করতে শর্ত প্রদান করেন।
শর্ত মোতাবেক প্রত্যেকটা পূজা মন্ডপে সিসি ক্যামেরা স্থাপনপূর্বক নির্ধারিত ১৫ অক্টোবর বৃহস্পতিবার চাল নিতে এসে একেক সময় একেক শর্ত জুড়ে দেয়াতে
সকল পূজামণ্ডপের প্রতিনিধি ও পরিচালনা কমিটির সদস্যদের হয়রানির শিকার হতে হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন সংশ্লিষ্টরা। এ ঘটনায় কালিহাতী উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও)-এর পদত্যাগ দাবি উঠেছে। এ ব্যাপারে কথা বলতে গেলে তিনি পিআইও মোহাম্মদ তরিকুল ইসলাম তার কার্যালয়ে ভিতর থেকে দরজা লক করে বসেছিলেন, তবু সাংবাদিকদের সাথে কথা বলেননি।
কালিহাতী উপজেলায় রয়েছে ১৮৪টি পূজামণ্ডপে দুর্গাপূজা সুষ্ঠু ও উৎসবমুখরভাবে উদযাপনের লক্ষ্যে সরকারের জেনারেল রিলিফ (জিআর) তহবিল থেকে প্রতিটি পূজামণ্ডপের অনুকূলে আহার্য বাবদ ৬০০ কেজি করে চাল বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।
অন্যান্য বছর শুধু এনআইটি কার্ড দেখালে তাদের জিআর চাল দিয়ে দেওয়া হতো। কিন্তু এবছর শর্তের পর শর্ত আরোপ করে হয়রানি করছে অভিযোগ উঠেছে।
এ ঘটনায় ক্ষুব্ধ পূজামণ্ডপের সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার ভূমিকা খতিয়ে দেখা এবং অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন বাবু প্রদীপ ব্যানার্জি নিরু, আহ্বায়ক, বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ, টাঙ্গাইল জেলা
* সমির সাহা মানিক, আহ্বায়ক, বাংলাদেশ পূজা উদযাপন ফ্রন্ট, কালিহাতী উপজেলা
* সুজিত দত্ত, সদস্য সচিব, বাংলাদেশ পূজা উদযাপন ফ্রন্ট, কালিহাতী শাখা
* বিপ্লব সরকার, সাধারণ সম্পাদক, জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা, কালিহাতী ইউনিট
একই সঙ্গে হয়রানির অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানানো হয়েছে। অভিযোগের দায় নিয়ে সংশ্লিষ্ট পিআইওর পদত্যাগের দাবিও উঠেছে বলে জানা গেছে।