ইনতিজার শিশুবৃত্তি ২০২৫-এর পুরস্কার প্রদান

দৈনিক তালাশ ডটকামঃ সৈয়দ মহসীন হাবীব সবুজ, টাঙ্গাইল জেলা প্রতিনিধি: টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে বর্ণাঢ্য আয়োজনে ইনতিজার শিশুবৃত্তি ২০২৫-এর পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠান ২০২৬ অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (২৯ জুন) সকাল ৯টায় কালিহাতী উপজেলা পরিষদ হলরুমে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
দৈনিক ইনতিজার পত্রিকার সম্পাদক ও প্রকাশক এবং ইনতিজার শিশুবৃত্তির প্রতিষ্ঠাতা অধ্যাপক এ. বি. এম. আব্দুল হাই মিয়া-এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কালিহাতী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. খাইরুল ইসলাম।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ফারহানা মামুন, উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা কুলসুম সোলায়মান এর প্রতিনিধি সহকারি শিক্ষা অফিসার আবু নাসের , এলজিইডির উপজেলা প্রকৌশলী মো. ছানোয়ার হোসেন, কালিহাতী থানার অফিসার ইনচার্জ কাইয়ুম খান সিদ্দিকী এর প্রতিনিধি সাব ইন্সপেক্টর মফিজুল ইসলাম। অনুষ্ঠানের চিত্রগ্রহণে ছিলেন দৈনিক ইনতিজার পত্রিকার নির্বাহী সম্পাদক সাজ্জাদুল বারী সোহান।
অনুষ্ঠানটির উদ্বোধন করেন দৈনিক ইনতিজার পত্রিকার সহ-সম্পাদক ও জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা কালিহাতী ইউনিটের সভাপতি সৈয়দ মহসীন হাবীব সবুজ (এমএসএস, বি.এড.)।

সঞ্চালনা করেন দৈনিক ইনতিজার পত্রিকার সহ-সম্পাদক ডা. কামাল আহমেদ।
এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন কালিহাতী পরীক্ষা কেন্দ্রের কেন্দ্র সচিব অধ্যাপক মো. ওয়াজেদ আলী খান, এলেঙ্গা পরীক্ষা কেন্দ্রের কেন্দ্র সচিব মোহাম্মদ ইসমাইল হোসেন, বৃত্তিপ্রাপ্ত মেধাবী শিক্ষার্থী, শিক্ষক-শিক্ষিকা, অভিভাবক এবং প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. খাইরুল ইসলাম বলেন, “শিশুদের মেধা বিকাশে এ ধরনের বৃত্তি পরীক্ষা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। শুধু পুরস্কার অর্জন নয়, জ্ঞান অর্জনের মানসিকতা গড়ে তুলতে হবে।

আজকের এই মেধাবী শিক্ষার্থীরাই আগামী দিনের দক্ষ, সৎ ও মানবিক বাংলাদেশ গড়বে।

উদ্বোধনী বক্তব্যে সৈয়দ মহসীন হাবীব সবুজ বলেন, “রবীন্দ্রনাথের ‘জল পড়ে, পাতা নড়ে’—এই ছোট্ট পংক্তির মতোই একটি ছোট উদ্যোগ একদিন বড় পরিবর্তনের সূচনা করতে পারে।

২০০৯ সাল থেকে ইনতিজার শিশুবৃত্তি সেই লক্ষ্যেই শিশুদের মধ্যে শিক্ষার আগ্রহ, আত্মবিশ্বাস ও সৃজনশীলতা বিকাশে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।”
অনুষ্ঠানে বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের হাতে আকর্ষণীয় ক্রেস্ট ও সনদপত্র তুলে দেওয়া হয়।

পুরস্কার পেয়ে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মাঝে আনন্দ-উচ্ছ্বাস বিরাজ করে। বক্তারা ভবিষ্যতেও এ ধরনের শিক্ষাবান্ধব উদ্যোগ অব্যাহত রাখার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।

ভালো লাগলে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *