বিভাজন সৃষ্টিকারী কোনো ব্যক্তিকে বাংলাদেশে ঠাঁই দেয়া হবে না: আবদুল জব্বার

দৈনিক তালাশ ডটকমঃ স্টাফ রিপোর্টার: নারায়ণগঞ্জ মহানগর জামায়াতে ইসলামীর আমীর আবদুল জব্বার বলেছেন, যারা স্বাধীনতার কথা বলে জুলাইকে বিকৃত করতে চায় তাদের স্পষ্ট করে বলতে চাই বিভাজন সৃষ্টিকারী কোনো ব্যক্তিকে বাংলাদেশে ঠাঁই দেয়া হবে না।

শনিবার (৪ জুলাই) বিকেলে নগরীর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে গনভোটের গনরায় বাস্তবায়নের দাবিতে ১১ দলীয় ঐক্যের উদ্যোগে আয়োজিত বিক্ষোভ মিছিলপূর্ব সমাবেশে বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি একথা বলেন।

আবদুল জব্বার বলেন, যারা আওয়ামী ন্যারিটিভ উৎপাদন করে এই বাংলাদেশের মানুষের বুক থেকে জুলাইকে বিচ্ছিন্ন করে দিতে চায় সময়ের ব্যবধানে তারাই বিচ্ছিন্ন হয়ে যাবে। আমরা কয়েকদিন ধরে কথিত সাংস্কৃতিক ব্যক্তিবর্গের কথার মাধ্যমে বুঝতে পারছি তারা এখন স্বাধীনতার নামে নানান কথা উৎপাদন করছে। বিগত ১৭ টি বছর যখন বাংলাদেশের অসংখ্য সাধারণ মানুষ রাজনৈতিক নেতাকর্মীদেরকে জেলে ভরে অকাতরে নির্যাতন করে গুম করে নিহত করা হয়েছে তখন তাদের মানবতার পক্ষে কথা বলতে শুনা যায়নি।

তিনি আরও বলেন, বর্তমান সরকারের পররাষ্ট্র নতজানু নীতির কারণে এখনও পর্যন্ত ফেলানীর মতো সীমান্তে ভাই-বোনদের হতাহত হতে হচ্ছে। এখনও সেই স্বৈরাচারের দোসররা স্বাধীনতাকে ক্ষুণ্ণ করার জন্য আমাদের ভাই-বোনদের কটাক্ষ করে কথা বলছে। আমাদের জুলাই বিপ্লবের প্রত্যাশা অনুযায়ী জুলাই আকাঙ্ক্ষা ভিত্তিতে রাষ্ট্র মেরামত হবে, যে রাষ্ট্রে কোনো ধরণের বৈষম্য থাকবেনা।

আবদুল জব্বার বলেন, আমরা কোনো স্বৈরাচারের নতুন করে উত্থান হতে দিবো না। কোথাও কোথাও আওয়ামী লীগের দোসররা উঁকি দিতে শুরু করেছে। কোথাও কোনো বিশৃঙ্খলা দেখলে জনগণ সরকারের বিধি নিষেধ মানবে না। তারা যে কোনো ষড়যন্ত্র মোকাবেলা করতে প্রস্তুত রয়েছে।

মাওলানা মঈনুদ্দিন আহমাদ বলেন, শত শত শহীদের আত্মত্যাগের বিনিময়ে অর্জিত আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নে জাতীয় ঐক্য ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা প্রয়োজন।

বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস নারায়ণগঞ্জ মহানগরের সভাপতি মাওলানা মামুনুর রশিদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সমাবেশে বক্তব্য দেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও নারায়ণগঞ্জ মহানগর আমীর মাওলানা আবদুল জব্বার, জামায়াতের কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য মাওলানা মঈনুদ্দিন আহমাদ, এনসিপি নারায়ণগঞ্জ মহানগরের সভাপতি শওকত আলী, এলডিপির সভাপতি আব্দুর রহমানসহ ১১ দলীয় ঐক্যের নেতারা।

পরে সমাবেশ শেষে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার থেকে শুরু করে গণমিছিলটি নগরীর বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে।

ভালো লাগলে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *