দৈনিক তালাশ ডটকমঃ বাংলাদেশ থেকে এক স্বৈরাচার পালিয়ে গেলেও লক্ষ লক্ষ স্বৈরাচার মাথা চারা দিয়ে উঠেছে।
চাঁদাবাজরা অনেকেই আঙ্গুল ফুলে কলা গাছ।
শহরের চাষাড়ায় অবৈধ ভাবে অটো থেকে শুরু করে সকল অবৈধ গাড়ি পার্কিং করে বিভিন্ন নামে চালিয়ে যাচ্ছে ওপেন চাঁদাবাজি।
রাস্তার পাশে অবৈধ পার্কিংয়ের কারণে শহরের যানজট ও জনগণের ভোগান্তি।
এই চাঁদাবাজদের লালন পালন করছে কারা।
মোটা অংকের মাশোহারার নিয়ে অবৈধ বাস, লেগুনা, সিএনজি, ইজিবাইকসহ বিভিন্ন সেক্টর
প্রতিনিয়ত লক্ষ লক্ষ টাকা চাঁদাবাজি চলমান রয়েছে।
চাষাড়া হতে পঞ্চবটী রুটে যাতায়াতাকারী ইজিবাইক থেকে নিয়মিতভাবে ৫০ টাকা করে চাদাঁ আদায়ের অভিযোগ পাওয়া গেছে সাবেক সদর থানা ছাত্রদল সভাপতি রবিন সরকার পায়েলের বিরুদ্ধে।
তবে পায়েল মহানগর বিএনপির এক প্রভাবশালী নেতার নির্দেশ চাদাঁ তোলেন বলেন একাধিক সুত্রে জানা যায়,
নারায়ণগঞ্জ শহরকে যানজট মুক্ত করতে জেলা প্রশাসন ও পুলিশ প্রশাসনসহ বিভিন্ন সংস্থাগুলো আপ্রান চেষ্টা চালালেও যানজট নিরসনের নামে কয়েক জন অনুগত দিয়ে ইজিবাইক প্রতি ৫০ টাকা হারে উত্তোলন করাচ্ছে নামধারী এ ছাত্রদল নেতা।
পঞ্চবটী টু চাষাড়া রুটে চলাচলকারী একাধিক ইজিবাইক চালক জানান,এ রুটে প্রতিদিন ১৩০ টি ইজিবাইক নিয়মিত ভাবে চলাচল করে। ছাত্রদল নেতা পায়েল তার সেকেন্ড ইন কমান্ড সাঈদ এর নেতৃত্বে দুই জন লাইনম্যান নিয়োগ দিয়ে গাড়ি প্রতি ৫০ টাকা করে চাদাঁ আদায় করাচ্ছেন।
যদি কোন চালক চাদাঁ দিতে অস্বীকৃতি জানান তাহলে লাইনম্যান দিয়ে তাদের কে শারীরিক ভাবে নির্যাতন করে থাকে বলে এ চাদাঁর টাকার জন্য ছাত্রদল নেতা রবির সরকার পায়েলের লোকজন এর কাছে প্রতিদিনই একাধিক চালক মারধরের শিকার হচ্ছেন।
চাদাঁর টাকা দিতে না চাইলে তাদেরকে চাষাড়ায় প্রবেশে বাধা এবং তাদের গাড়ির চাকাগুলো ফুটো করে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ করেন একাধিক চালক।
এদিকে মহানগর বিএনপির এক প্রভাবশালী নেতার পক্ষেই নাকি প্রতিদিন ইজিবাইক প্রতি ৫০ টাকা করে গণহারে চাদাঁ তোলছেন ছাত্রদল নেতা পায়েলের।
প্রতিদিন ১৩০ টি ইজিবাইক থেকে ৫০ টাকা হারে দৈনিক ৬৫০০ টাকা যা মাস শেষে ১ লক্ষ ৯৫ হাজার টাকা চাদাঁ তোলা হচ্ছে এখান থেকে
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক চালক জানান, সাবেক এ ছাত্রদল নেতা রবিন সরকার পায়েল চাষাড়ায় আল জয়নাল ট্রেড সেন্টারের নিচ তলায় একটি দোকানঘর ভাড়া নিয়ে সেখানে বসেই ইজিবাইক থেকে চাদাঁবাজি নিয়ন্ত্রন করছেন।
মাসখানেক পুর্বে চাষাড়া মহিলা কলেজের সামনে থেকে ইজিবাইক থেকে চাদাঁ উত্তোলনের সময় ছাত্রদল নেতা পায়েলের এক চাদাঁবাজকে চাদাঁর টাকাসহ আটক করে নিয়ে যায় ফতুল্লা মডেল থানা পুলিশ।
বহু দরকষাকষির পর সার্কেল এসপিকে নাকি মোটা অংকের টাকা দিয়ে থানা থেকে ছাদিরে নিয়ে যায় ছাত্রদল নেতা রবিন সরকার পায়েল।
এ রুটে নিয়মিত যাতায়াতকারী একাধিক যাত্রী জানান, ৫ আগষ্টের পর থেকে অনেকটা শান্তি পুর্নভাবেই যাতায়াত করছিলাম ভাড়া বেশী দিতে হতোনা।
কিন্তু এ সকল চাদাঁবাজদের কারনে আমাদেরকে প্রতিদিনই চাষাড়া থেকে পঞ্চবটী যাতায়াত করতে ১০ টাকার স্থালে ১৫ টাকা থেকে ২০ টাকা ভাড়া দিয়ে চলাচল করতে হয়।
বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের ব্যানারে চাদাঁবাজদের দৌরাত্মের কারনে আমাদের অতিরিক্ত ভাড়া গুনতে হচ্ছে নিয়মিত।
যানজট নিয়ন্ত্রনে পরিবর্তে উল্টো মাত্রা অতিরিক্ত ইজিবাইক ও মিশুক শহরে প্রবেশ করাচ্ছে পায়েলদের মত চাদাঁবাদের কারনে যত গাড়ি তত টাকা।
ইজিবাইক চালকরা জানান, নেতাদের কে চাদাঁ আমাদের বাসা থেকে দেবো তাদের দাবীকৃত চাদাঁর টাকা যাত্রীদের কাছ থেকেই আদায় করতে হবে তাই ভাড়া বাড়াতে বাধ্য হই।
এ রুটে যাতায়াতকারী যাত্রীদের দাবী, ইজিবাইক চালকদের ইচ্ছে মত ভাড়া বৃদ্ধি বন্ধ চাদাঁবাজ নামধারী ছাত্রদল নেতা রবিন সরকার পায়েল ও তার বাহিনীর বিরুদ্ধে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করা হোক।