দৈনিক তালাশ ডটকমঃ স্টাফ রিপোর্টার: আওয়ামী দোসর ‘বৈষম্যবিরোধী গণহত্যার একাধিক মামলার আসামি এবং গডফাদার শামীম ওসমান ও আজমেরী ওসমানের আস্থাভাজন ছাত্রলীগ নেতা আরিফ প্রধানকে’ গ্রেপ্তারের দাবি স্থানীয় এলাকাবাসী ও ছাত্র-জনতার।
কট্টর আওয়ামীপন্থি ও জুলাই অভ্যুত্থানবিরোধী ছাত্রলীগ নেতা আরিফ প্রধানের নামে যাত্রাবাড়ী ও সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় বেশ কয়েকটি বৈষম্যবিরোধী গনহত্যা মামলা রয়েছে বলে জানা যায়।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, গডফাদার শামীম ওসমানের ভাতিজা আজমেরী ওসমানের ডান হাত আমিরের মূল সহোযোগি ছিলেন এই আরিফ প্রধান। তিনি জালকুড়ি পশ্চিম পাড়া এলাকার মৃত আবদুল সামাদ মেম্বারের ছোট সন্তান। তার বড় ভাই নারায়ণগঞ্জ মহানগর যুবদল নেতা জাহাঙ্গীর প্রধানের ছত্র-ছায়ায় তিনি পূণরায় এলাকায় নাশকতার পরিকল্পনা করছে। আরিফ প্রধান ছাত্রলীগ নেতা হয়েও স্থানীয় বিএনপি ও যুবদল নেতাদের ম্যানেজ করে বীরদর্পে এলাকায় ড্রেজার ও ঝুট ব্যবসার নিয়ন্ত্রণ করে চলেছে।
ফ্যাসিস্ট আওয়ামী সরকারের শেখ হাসিনা দেশ ছেড়ে পালিয়ে গেলেও দেশে এখনও ফ্যাসিবাদের দোসররা বিভিন্ন জায়গায় ঘাপটি মেরে রয়েছে। আমরা প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করে আওয়ামী দোসর আরিফ প্রধান সহ সকল স্বৈরাচারের দোসরদের দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবি জানাচ্ছি। নারায়ণগঞ্জে নাশকতা ঠেকাতে প্রশাসনের কঠোরতা যেমন প্রয়োজন তেমনি নিষিদ্ধ কার্যক্রমের আওয়ামী দোসরদের গ্রেফতার করাও জরুরী।
এবিষয়ে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ও জেলা কমিটির যুগ্ম সমন্বয়কারী আহমেদুর রহমান তনু বলেন, ফ্যাসিস্টের দোসর কারা সেটা আমরা জানি আপনারাও জানেন, এটা আঙুল দিয়ে দেখানোর কিছু নেই? যারা অপরাধী, তাদের আমরা চিহ্নিত করতে পেরেছি। আওয়ামী দোসরদের বিরুদ্ধে এতো প্রমাণ থাকার পরেও আমরা কেনো প্রশাসনকে গ্রেফতার করতে দেখছি না?
তনু আরও বলেন, প্রশাসনের প্রতি আমাদের দাবী, যারা বৈষম্যবিরোধী মামলা বা গণহত্যা মামলার সাথে জড়িত তাদেরকে দ্রুত আইনের আওতায় আনা হোক। অনেকে কিছুদিন পরেই জামিনে বেড়িয়ে আবার রাস্তায় নামার চেষ্টা করছে। আইন ও আদালতের ক্ষেত্রে তাদের আরও সজাগ হতে হবে এবং প্রশাসনকে দায়িত্ব নিয়ে তাদের কাজ স্বাধীনভাবে করতে হবে।