দৈনিক তালাশ ডটকমঃ স্টাফ রিপোর্টার:নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক ও মহানগর বিএনপির আহবায়ক অ্যাড. সাখাওয়াত হোসেন খান বলেন, আল আমিন নগরের ময়লা ফেলানো জায়গাটি নিয়ে এখানকার মানুষকে বহুদিন যাবত দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।
ময়লার কারনে জনস্বাস্থ্যের অনেক ক্ষতি হয়েছে। তা উপলব্ধি করে আপনাদের আবেদনের প্রেক্ষিতে জাপানের জাইকার অর্থায়নে ল্যান্ডফিল প্রকল্প প্রজেক্ট নেয়া হয়েছে।
এই প্রজেক্টকি খুবই জনবান্ধব। এই প্রজেক্টকি আট কোটি তেষট্রি লাখ টাকা ব্যায়ে প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হবে। মঙ্গলবার ১০ মার্চ দুপুরে আল আমিন নগর এলাকায় ল্যান্ডফিল প্রকল্প প্রজেক্টের কাজের উদ্বোধনি অনুষ্ঠানে তিনি এই কথা বলেন।
মঙ্গলবার (১০ মার্চ ) দুপুরে ১৮ নং ওয়ার্ড শহীদনগরে সিটি কর্পোরেশন ডাম্পিং এলাকায় সিটি কর্পোরেশন UDCGP-NCC-SWM-2 ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান: টার্ন এর বাস্তবায়নে একাজ সম্পন্ন হবে বরে উপরোক্ত কথা বলেন তিনি।
সিটি প্রশাসক সাখাওয়াত হোসেন খাঁন আরও বলেন, এই প্রজেক্টে বহুমুখি কিছু কার্যক্রম থাকবে। এই কার্যক্রমের মাঝে অন্যতম এখানে খেলার মাঠ থাকবে। প্রায় ৩৪ হাজার বর্গমিটার হবে খেলার মাঠটি। এই জায়গার ময়লা গুলো ট্রিট মেন্ট করার জন্য এই প্রজেক্ট।এখানকার মানুষের স্বাস্থ্যের ক্ষতি না হয় সে জন্য এ্ই প্রকল্প। জায়গার চার পাশে গাছ লাগিয়ে সবুজায়ন করা হবে। মাঠের চার পাশে ওয়াক ওয়ে থাকবে যাতে করে মানুষ নির্ভিগ্মে চলাচল করতে পারে। এখানে পার্ক করা হবে।
আঠারো মাসে এই প্রকল্পের কাজ শেষ হবে। এর পরে এখানে এলাকার মানুষ হাটতে পারবে, খেলতে পারবে। আমরা এই প্রকল্পটি শেষ করলে এই এলাকার সম্পত্তি বেড়ে যাবে। মানুষের জীবন যাত্রার মানোন্নয়ন হবে। প্রকল্পটি বাস্তবায়নের জন্য এলাকার মানুষের সবার আগে সহযোগিতার প্রয়োজন হবে। আপনারা এলাকাবাসি এটার ফল ভোগকরবেন। এই কাজের বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে যাতে কোন প্রতিবন্ধকতা তৈরী না হয় সেদিকে আপনাদের লক্ষ রাখতে হবে।
তিনি বলেন, সামন্যতম প্রতিবন্ধকতা হলে তারা কাজ বন্ধ করে চলে যাবে। কেই যদি এই প্রকল্পের কাজের প্রতিবন্ধকতা তৈরী করে তাহেল আমরা তা বরদাশত করবো না। কেউ যদি এসে চাদাঁ চেয়ে কাজ বন্ধ করার চেষ্টা করে সেটা মেনে নেওয়া হবে না। আপনরাও এমন কেউ করলে তাকে বরদাশত করবেন না। প্রকল্পটির কাজ শেষ করা জন্য আমরা সকলে মিলে সহযোগিতা করবো। কাচঁপুর ব্রিজ করার পরে টাকা বেশি হওয়ায় জাপানি কোম্পানি বাড়তি টাকা সরকারকে ফেরত দিয়েছে।
তাদের কাজের মানও খুবই ভালো। এছাড়া মাঠের চারদিকে সুন্দর পরিবেশ করা হবে। ওয়াক ওয়ে থেকে শুরু করে সৌন্দর্য বর্ধনে সকল কাজ করা হবে।
অন্যান্য বক্তারা জানান, এখানে পাচঁ দশমিক এক একর জায়গা রয়েছে। পরিকল্পিত ভাবে উন্নয়ন করার এখানে প্রকল্প নেয়া হয়েছে। এই এলাকাটি পরিবেশ বান্ধব এলাকা হবে। নারায়ণগঞ্জকে দেখার জন্য বিভিন্ন এলাকা থেকে মানুষ আসবে।
জাপানের সাহায্য সংস্থা জাইয়কার অর্থায়নে নগরীর ১৮ নম্বর ওয়ার্ডে আল আমিন নগর ল্যান্ডফিল প্রকল্প উন্নয়ন হবে। এই কাজের ঠিকাদার হচ্ছেন টার্নেল প্রোপ্রাইটরের মালিক আরকিটেক সি এম নাহিদ, প্রজেক্ট প্রকল্প পরিচালক
জাইকার অর্থায়নে আল আমিন নগরে ন্যান্ডফিল প্রকল্প উন্নয়ন কাজে উপস্থিত ছিলেন,জাইকার অর্থাযনে আল আমিন নগর ল্যান্ডসিল প্রকল্প বাস্তবায়নকারী প্রতিষ্ঠান টার্ন বিল্ডার্স লিঃ আর্কিটেক সি,এম নাহিদ আল হাসান, জাইকার প্রতিনিধি প্রজেক্ট প্রকল্প পরিচালক চীফ ইঞ্জিনিয়ার নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশন, সুপারেন্টন্টেন অফিকার নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশন,বিএনপি নেতা মনির হোসেন, ১৮ নং ওয়ার্ড বিএনপি সভাপতি শাহজালাল বাদল,সাধারণ সম্পাদক আল-আরিফ, সাংগঠনিক সম্পাদক জাকির শেখ, মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ন আহবায়ক শাকিল আহম্মেদ, শাহীন আহম্মেদ সহ জাইকার অন্যান্য প্রতিনিধি বৃন্দ।